মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২২nd জুন ২০১৫

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

মাননীয়  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, এম.পি’র জীবন বৃত্তান্ত

 

মির্জা আজম ১৯৬২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার শুকনগরী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মির্জা আবুল কাশেম এবং মাতা মোছা. নূরুন্নাহার বেগম।

১৯৬৮ সালে বালিজুড়ী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির মাধ্যমে তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু হয়। তিনি ১৯৭৮ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন জামালপুর জিলা স্কুল থেকে এস. এস. সি. পাশ করেন। অতঃপর জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে ১৯৮০ সালে এইচ. এস. সি. এবং ১৯৮৩ সালে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ১৯৭৭ সালে হাইস্কুলের ছাত্র থাকা অবস্থাতেই রাজনীতি শুরু করেন। একই সময়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদস্যপদ লাভ করেন। অতঃপর ১৯৭৯ সালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ ছাত্র সংসদের অ্যামিউজমেন্ট এন্ড এন্টারটেইনমেন্ট সেক্রেটারি হন। তিনি ১৯৮১ সালে জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।

তিনি ১৯৮৭ সালে জামালপুর জেলা আওয়ামী  যুবলীগের আহবায়ক হন। ১৯৯১ সালে জামালপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এবং জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর জামালপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। উক্ত সময়কালীন তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি একাধারে পাঁচবার  ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৮ম জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ এবং ৯ম জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ ছিলেন।

তিনি ৫ম সংসদে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির, ৭ম সংসদে সরকারি প্রতিশ্র“তি সংক্রান্ত কমিটির এবং বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির এবং ৯ম সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১২ জানুয়ারি, ২০১৪ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ১৩ জানুয়ারি, ২০১৪ তারিখে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

তিনি এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। এর মধ্যে জামালপুর জেলাধীন শেখ ফজিলাতুন্নেছা বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ফিশারিজ কলেজ, বঙ্গবন্ধু কলেজ, শেখ কামাল কলেজ, খাজা শাহ সুফি ইউনুছ আলী ডিগ্রী কলেজ, আলেয়া আজম কলেজ, মির্জা আজম ডিগ্রী কলেজ, আব্দুল জলিল কারিগরী কলেজ, আব্দুল হাই বাচ্চু মহিলা কারিগরী কলেজ অন্যতম।

তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকা ছাড়াও বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকায় যথাযথ ও সুষম উন্নয়নের জন্য খুবই উদগ্রীব থাকেন। তিনি শিক্ষা, সামাজিক কার্যক্রম, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে স্ব-উদ্যোগে সহায়তা দিয়ে দেশের মানুষের জীবন-মান উন্নয়নের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

তিনি যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, কোরিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত (দুবাই), ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, স্পেন, নেদারল্যান্ড, সুইডেন ও ডেনমার্কসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত সকল দেশ সফর করেন।

জনাব আজম বিবাহিত এবং দুই কন্যা মির্জা আফিয়া আজম অপি এবং মির্জা আসফিয়া আজম অমি’র পিতা। তাঁর স্ত্রী দেওয়ান আলেয়া আজমও সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত।  


Share with :