মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৩rd জুন ২০১৫

পাট অধিদপ্তর

 

০১.

দপ্তর/সংস্থার নামঃ

 

পাট অধিদপ্তর।

০২.

সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ

 

সাবেক পাট পরিদপ্তর এবং পাট ও পাটপণ্য পরিদর্শন পরিদপ্তরকে একীভুত করে সরকার ১৯৯২ সালে পাট অধিদপ্তর গঠন করে। পাট অধিদপ্তর বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পাট অধিদপ্তরের অনুমোদিত জনবল ৬০৪ জন। দপ্তর প্রধান মহাপরিচালক। তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব প্রেষণে মহাপরিচালক হিসেবে দায়িতব পালন করছেন। এছাড়াও পাট অধিদপ্তরের সাংগঠনিক কাঠামোতে ২টি পরিচালক এবং ৪টি উপপরিচালক এর পদ আছে। মাঠ পর্যায়ে ১৮টি সহকারী পরিচালকের কার্যালয় (১০টি সহকারী পরিচালক(পাট) এর কার্যালয়, ৩টি পাটপণ্য পরীক্ষাগার এবং ৫টি সহকারী পরিচালক এর আঞ্চলিক কার্যালয়সহ), ৪২টি মুখ্য পরিদর্শকের কার্যালয় এবং ৭৯টি পরিদর্শক(পাট) এর কার্যালয় রয়েছে।

০৩.

ভিশনঃ

 

পাট ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ ও বিপনন সংক্রান্ত আইন ও বিধি বিধান প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাট ও পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ।

মিশনঃ

 

· পাট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এবং দি জুট (লাইসেন্সিং এন্ড এনফোর্সমেনট্ট) রুলস, ১৯৬৪ এর বিধি বিধান প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাট ও পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ।

· পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, পাট ও পাটপণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক আইন, ২০১০ এবং পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা, ২০১৩ যথাযথ প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন।

· নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে দেশের পাটকলসমূহে উৎপাদিত পণ্যের ভৌত ও রাসায়নিক মান পরিদর্শন ও পরীক্ষাগারে পরীক্ষণের মাধ্যমে মান নিয়ন্ত্রণ।

· পাটচাষীদের পাটের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ ও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, পাটবীজের আমদানি নির্ভরশীলতা কমিয়ে উন্নত জাতে পাটবীজে সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, অল্প জমিতে আধুনিক পদ্ধতিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের পাট চাষ করে অধিক পরিমানে পাট উৎপাদন এবং রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট পচানোর মাধ্যমে পাট অাঁশের মানোন্নয়নে পাট চাষীদের উদ্ভুদ্ধকরণ।

০৪.

প্রধান কার্যাবলীঃ

 

* পাট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এবং পাট (লাইসেন্সিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট) বিধিমালা, ১৯৬৪ এর

প্রয়োগ ও বাসতবায়ন;

* অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে পাট ও পাটজাত ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ,

* পাট ও পাটজাত ব্যবসার লাইসেন্স প্রদান, অনিয়ম ও দূনীতি রোধ,

* পাট ও পাটপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ;

* পাট ও পাটপণ্যের উৎপাদন, রপ্তানি, বার্ষিক মজুদ ও মূল্য সম্পর্কিত তথ্য

পরিসংখ্যান সংগ্রহ সংকলন ও সংরক্ষণ।

* পাট খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে উচ্চ ফলনশীল(উফশী) পাট ও পাটবীজ উৎপাদন

এবং উন্নত পাট পচন প্রকল্প বাসতবায়ন।

* পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ ও বিধিমালা-

২০১৩ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা

বৃদ্ধি।

 

০৫.

প্রদত্ত সেবাসমূহের বিবরণঃ

 

(১) প্রধান কার্যালয়, ১০টি সহকারী পরিচালকের কার্যালয়, এবং ৪২টি মুখ্য পরিদর্শক কার্যালয় হতে পাট ও পাটপণ্যের ব্যবসার লাইসেন্স নির্ধারিত ফি অনুযায়ী প্রদান করা হয়।

(২) ঢাকা, চট্রগ্রাম ও খুলনায় অবস্থিত পাটপণ্য পরীক্ষাগারের মাধ্যমে পাটকলে উৎপাদিত পাটপণ্যের নমুনা পরীক্ষা করে পাটপণ্যের মান সঠিক ও নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়।

(৩) ৫টি অঞ্চলিক অফিসের মাধ্যমে পাটকলে উৎপাদিত পাটপণ্য পরিদর্শন করে মান উন্নয়নের জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়।

০৬.

সেবা গ্রহিতা/ ষ্টেক হোল্ডারদের বিবরণঃ

 

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বাজারে পাটের বেপারী, পাটের আড়তদার, পাটের বেলার, পাট রপ্তানিকারক, পাটপণ্য প্রস্তুতকারক এবং পাটপণ্য রপ্তানিকারকগণ পাট অধিদপ্তর থেকে সেবা গ্রহণ করে থাকেন। পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ প্রণয়নের ফলে দেশের চাউল কল ও চাতাল মালিকগণও সেবা গ্রহিতার আওতায় এসেছেন।

০৭.

দপ্তর/সংস্থা প্রধানের পরিচিতিঃ

 

জনাব মোঃ মুয়াজ্জেম হোসাইন, মহাপরিচালক। তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব এবং বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডার, ১৯৮৪ ব্যাচের কর্মকর্তা। মহাপরিচালক এর দায়িতব গ্রহণের পূর্বে তিনি মাঠ পর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিট্রেট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, এডিসি এবং জেলা পর্যায়ে বাগেরহাট জেলার জেলা প্রশাসক এর দায়িতব পালনসহ ভুমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এর দায়িতব পালন করেছেন।

০৮.

দপ্তর/সংস্থার সাথে যোগাযোগের ঠিকানাঃ

 

ফোনঃ ৯৫৬১৫৪৬ ও ৯৫৫৩৮৪৬। ফ্যাক্স- ৯৫৬১৫৩৫।

ই-মেইলঃ dgjute@gmail.com

Website: www.dgjute.gov.bd.


Share with :