মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

সাম্প্রতিক অর্জনসমূহ

      দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ বাস্তবায়নের ফলে পাটপণ্যের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাট নীতি-২০১৮ প্রণীত হয়েছে। ০৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবস সফলভাবে উদযাপিত হয়েছে। বিজেএমসি’র লোকসানের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা হয়েছে।পলিব্যাগের বিকল্প হিসেবে পচনযোগ্য সোনালী ব্যাগ পাইলট আকারে উৎপাদন শুরু হয়েছে। বস্ত্র ও পাট খাতের লাইসেন্স ও পরিদর্শন ফি বাবদ ২৯.৫০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। তাঁত শিল্প উন্নয়নে তাঁতিদের অনুকূলে ১০.১৭ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত ৬৫০ জন উদ্যোক্তা ও ২৫০ ধরনের বহুমূখী পাটপণ্য তৈরী করা হয়েছে। পোষক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বস্ত্র সংশ্লিষ্ট প্রাইভেট সেক্টরকে ২০ ধরনের সেবা প্রদান করা হয়েছে।রাজশাহী রেশম কারখানার ১টি লুম পুনরায় চালু করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেট ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৮০ কোটি ছিল, যা বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫৫২ কোটি টাকা হয়েছে।



Share with :

Facebook Facebook