মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন

1.00 পটভূমিঃ

      ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্টারপ্রাইজেস (রাষ্ট্রীয়করণ) অর্ডার ২৭, ১৯৭২ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ সালের ১ লা জুলাই হতে ৭৪টি মিল নিয়ে বিটিএমসির যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে বিটিএমসি ও সরকারের উদ্যোগে ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে আরও ১২টি মিল প্রতিষ্ঠা করা হয়। ফলে বিটিএমসি’র নিয়ন্ত্রণাধীন সর্বমোট মিলের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮৬টি। সরকারের বি-রাষ্ট্রীয়করণ শিল্পনীতির আওতায় ১৯৭৭ সাল থেকে ২০১0 সাল পর্যন্ত সর্বমোট ৬৫টি মিল হস্তান্তর, বিক্রি ও অবসায়ন করা হয়। পরবর্তীতে 2017-2018 সাল পর্যন্ত  হস্তান্তরিত ও বিক্রিত ৭টি মিল সরকার  কর্তৃক পুনঃগ্রহন  করে বিটিএমসি’র নিকট ন্যস্ত করা হয়।  ফলে বিটিএমসি’র নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে চালু ও বন্ধ মোট 2৫টি মিল  রয়েছে। এর মধ্যে ৮টি মিল ভাড়া পদ্ধতিতে  চালু আছে, ২টি ( খুলনা টেক্সটাইল মিলস্‌, খুলনা ও চিত্তরঞ্জন কটন মিলস্, নারায়ণগঞ্জ) মিলে টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন আছে এবং অপর 15 টি মিলে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও জাতীয়করণকৃত নামমাত্র (বাস্তব সম্পদবিহীন) ৩টি মিল (১. পারুমা টেক্সটাইল মিলস লিঃ ২.এলাহী কটন মিলস্ লিঃ ৩. রুপালী কটন মিলস লিঃ) বিটিএমসির তালিকায় আছে।  টিআইডিসি নামক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট “নিটার” নামে  বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন (বিটিএমএ) কর্তৃক ব্যবস্থাপনা চুক্তির মাধ্যমে পরিচলিত হচ্ছে।

.০০ ভিশন ও মিশনঃ

ভিশন: লাভজনক বিটিএমসি।

মিশন: বস্ত্র খাতে চাহিদা পূরণ ও কর্মসংস্থান সৃস্টির লক্ষ্যে দেশী-বিদেশী যৌথবিনিয়োগ/পিপিপি এর মাধ্যমে বন্ধ মিলসমূহ    চালুকরণ এবং সম্পদের যথাযথ ব্যবহার।

.০0 বিটিএমসি’র প্রধান কার্যাবলী ও উদ্দেশ্যসমূহ:

3.01 বিটিএমসি’র প্রধান কার্যাবলীঃ

  1.  চালু মিলগুলো সুষ্ঠভাবে পরিচালনা ও বন্ধ মিলগুলো চালু করা;
  2. দেশী-বিদেশী যৌথ বিনিয়োগ/পিপিপি এর মাধ্যমে মিলসমূহ পরিচালনার লক্ষ্যে প্রকল্প চিহ্নিতকরণ ও চালুকরণে উদ্যোগ গ্রহণ;
  3. অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানসমূহের সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, সমস্যা চিহ্নিতকরণ, অপচয় হ্রাসকরণ এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করা;
  4. উন্নয়নশীল কর্ম পরিকল্পনা প্রনয়ন ও উৎপাদনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ;
  5. সরকারী সম্পদের যথাযথ ও যুগোপযোগী ব্যবহার নিশ্চিতপূর্বক আর্থিক স্বচ্ছলতা আনয়নের সাথে সাথে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে  সামাজিক উন্নয়ন;
  6. সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক বস্তুনিষ্ঠ তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রেরণ;

3.02 বিটিএমসি’র কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহঃ

 ক. কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহঃ

   ১. আয় বৃদ্ধিকরণ;

   ২. বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণ;

   ৩. বস্ত্র শিল্প উন্নয়নে সহায়তাকরণ;

   ৪. দক্ষতা উন্নয়ন।

খ. আবশ্যিক কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ

   ১. দক্ষতার সংগে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়ন;

   ২. কার্যপদ্ধতি ও সেবার মানোন্নয়ন;

   ৩. আর্থিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন;

   ৪. দক্ষতা ও নৈতিকতার উন্নয়ন;

   ৫. তথ্য অধিকার ও স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ বাস্তবায়ন।

4.  পরিচালনা পর্ষদঃ

 ১৯৭২ সালে ২৬শে মার্চ বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্টারপ্রাইজেস আদেশ নং-২৭(১৯৭২) এর ১১ ধারা মোতাবেক বিটিএমসি’র সার্বিক দায়িত্ব ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব/কর্তৃত্ব একজন চেয়ারম্যান ও  পাঁচজন পরিচালক এর সমন্বয়ে গঠিত পরিচালক পর্ষদ এর উপর ন্যস্ত করা হয়। সরকার কর্তৃক নিয়োজিত চেয়ারম্যান একজন অতিরিক্ত সচিব পদ মর্যাদার কর্মকর্তা  এবং পরিচালকগন যুগ্ম- সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা । বর্তমানে মিলের সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় তিনজন পরিচালক দ্বারা বিটিএমসি’র পরিচালক পর্ষদ  পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া পরিচালনা পর্ষদের সচিব হিসেবে সরকার কর্তৃক নিয়োজিত একজন উপ-সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা নিয়োজিত আছেন।

৫.00 কোম্পানী বোর্ডঃ

বিটিএমসি নিয়ন্ত্রণাধীন ৫টি মিল যথা: (১) সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস্ লিঃ (২) দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলস্ লিঃ (৩) দিনাজপুর টেক্সটাইল মিলস্ লিঃ (৪) মাগুরা টেক্সটাইল মিলস্ লিঃ  এবং (৫) রাঙ্গামাটি টেক্সটাইল মিলস্ লিঃ ১৯১৩ সালের কোম্পানী আইন অনুযায়ী ১৯৯৪ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (লিমিটেড বাই শেয়ার) হিসেবে নিবন্ধিত। উক্ত কোম্পানী বোর্ডে বিটিএমসি’র পরিচালক পর্ষদের  একজন সদস্য চেয়ারম্যান/সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত আছেন। এছাড়াও বিটিএমসি,  বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় জেলা প্রশাসক, অর্থ লগ্নীকারী ব্যাংকের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট মিলের প্রধান নির্বাহী, উক্ত কোম্পানী বোর্ডের সদস্য নিযুক্ত হয়ে থাকেন । কোম্পানী আইনের বিধানানুযায়ী কোম্পানীর বোর্ড সভা এবং বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং নিয়মিত বার্ষিক প্রতিবেদন যৌথমূলধন কোম্পানী ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে দাখিল করা হয়।

­6.০০   ১৯৭২ সাল থেকে হালনাগাদ বিটিএমসি’র সার্বিক মিলের সংখ্যাঃ

ক্রঃনং

বিবরণ

মিল সংখ্যা

১.

১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশবলে জাতীয়করণকৃত ;

৭৪

২.

১৯৭৫-৮৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময় বিটিএমসি কর্তৃক স্থাপিত ;

১২

৩.

মোট (১+২)

৮৬

৪.

১৯৭৭-৮৭ সাল পর্যন্ত সময়ে সাবেক বাংলাদেশী মালিকদের নিকট হস্তান্তরিত;

৩০

৫.

১৯৮২-৮৩ সালে অবসায়নের মাধ্যমে লিকুইডেশন সেল কর্তৃক বিক্রিত;

০৩

৬.

১৯৭৭-২০১০ সালে দরপত্রের মাধ্যমে বিক্রিত;

1২

৭.

২০০০-২০১১ সালে শ্রমিক-কর্মচারীদের নিকট হস্তান্তরিত;

০৯

৮.

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর লিকুইডেশন সেলে ন্যস্ত ;

০৪

৯.

উপমোট ( থেকে ):

5৮

১০.

বিটিএমসি‘র বর্তমান মিলঃ

 

(ক)

ভাড়ায় পদ্ধতিতে  চালু;

০৮

(খ)

উৎপাদনবন্ধ অবস্থায়(পুন:গ্রহনকৃত ৭টি মিলসহ)

1৫

(গ)

টেক্সটাইল পল্লী স্থাপনের  কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন

০২

১১.

উপমোট (১০):

2৫

১২.

১৯৭১-৭২ সালে জাতীয়করণের তালিকায় নামমাত্র মিল (বাস্তব সম্পদবিহীন)

০৩

 

মোট (৯+১১+ ১২):

৮৬



Share with :

Facebook Facebook